🏠 হোম ℹ️ কার্যক্রম পরিচিতি ⚡ মূল বৈশিষ্ট্য 📋 নিবন্ধন প্রক্রিয়া 📄 প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ❓ সাধারণ প্রশ্নোত্তর
🇧🇩 সম্পূর্ণ গাইড — মার্চ ২০২৫ লঞ্চ

ফ্যামিলি কার্ড বাংলাদেশ ২০২৫:
নিবন্ধন, যোগ্যতা ও সুবিধা

ফ্যামিলি কার্ড বাংলাদেশ থেকে মাসিক ২,০০০–২,৫০০ টাকা নগদ সহায়তা — সম্পূর্ণ আবেদন গাইড, কারা পাবেন যোগ্যতা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র।

খবর📢 ফ্যামিলি কার্ড ১০ মার্চ ২০২৫ থেকে পাওয়া যাবে
১০ কোটিলক্ষ্যমাত্রা
৳২,৫০০সর্বোচ্চ মাসিক সহায়
১০০%ডিজিটাল প্রক্রিয়া
পাইলট উপজেলা
কার্যক্রম পরিচিতি

ফ্যামিলি কার্ড বাংলাদেশ কী এবং কেন?

ফ্যামিলি কার্ড বাংলাদেশ হলো বিএনপির একটি যুগান্তকারী সামাজিক কল্যাণ উদ্যোগ — বিচ্ছিন্ন সরকারি সহায়তা বন্ধ করে দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য একটি স্বচ্ছ, দুর্নীতিমুক্ত ব্যবস্থায় সব সহায়তা একত্রিত করবে।

🏛️

একীভূত সহায়তা ব্যবস্থা

অনেক ছোট পৃথক কার্যক্রমের পরিবর্তে এই পরিকল্পনা সমস্ত সহায়তাকে একটি সংগঠিত ব্যবস্থায় আনে। প্রতিটি যোগ্য পরিবার তাদের নামে নিবন্ধিত কার্ডের মাধ্যমে নিয়মিত সহায়তা পাবে।

যাচাই ও প্রমাণ

এই কার্ড প্রমাণ হিসেবে কাজ করে যে পরিবারটি সরকারি সহায়তার যোগ্য। এটি নিশ্চিত করে যে সুবিধাগুলি মধ্যস্বত্বভোগী বা দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ ছাড়াই সঠিক মানুষের কাছে পৌঁছায়।

মূল বৈশিষ্ট্য

ফ্যামিলি কার্ড বাংলাদেশের মূল বৈশিষ্ট্য

স্বচ্ছতা, ডিজিটাল দক্ষতা এবং দুর্নীতিমুক্ত সামাজিক নিরাপত্তার জন্য তৈরি — বাংলাদেশের ৬৪ জেলায় ১০ কোটি মানুষের জন্য।

📱

QR কোড সুবিধা

প্রতিটি কার্ডে অনন্য QR কোড রয়েছে যা বাংলাদেশের যেকোনো সেবা কেন্দ্রে তাৎক্ষণিক ডিজিটাল যাচাইয়ের জন্য ব্যবহার করা যাবে।

🛡️

NID সংযুক্ত

ডুপ্লিকেট বা ভুয়া সুবিধাভোগী রোধে জাতীয় পরিচয়পত্র ডেটাবেজের সাথে কঠোরভাবে সংযুক্ত।

💳

বিকাশ / নগদ সংযোগ

বিকাশ বা নগদের সাথে সংযুক্ত করার সুবিধা — যোগ্য পরিবারের মোবাইল অ্যাকাউন্টে সরাসরি নগদ স্থানান্তর।

🏪

টিসিবি অগ্রাধিকার সুবিধা

প্রতিটি জেলায় টিসিবি ন্যায্যমূল্যের দোকানে ভর্তুকি প্রাপ্ত পণ্য পাওয়ার অগ্রাধিকার সুবিধা।

আবেদন প্রক্রিয়া

ফ্যামিলি কার্ড ২০২৫-এ কীভাবে আবেদন করবেন

ফ্যামিলি কার্ড আবেদন থেকে মাসিক ২,৫০০ টাকা পাওয়া পর্যন্ত — তিনটি সহজ ধাপে সম্পন্ন করুন।

তথ্য নথিভুক্তি

পরিবারের তথ্য সংগ্রহ: আয়ের স্তর, সদস্যদের সংখ্যা এবং সকল প্রাপ্তবয়স্কদের কর্মসংস্থানের অবস্থা।

কার্ড প্রদান

যাচাইকৃত পরিবারগুলি তাদের ফ্যামিলি কার্ড পায়, প্রাথমিকভাবে পরিবারের নারী প্রধানের নামে নিবন্ধিত।

সুবিধা গ্রহণ

পরিবারগুলি কার্ড ব্যবহার করে নগদ তুলতে বা নির্ধারিত টিসিবি কেন্দ্র থেকে অর্ধ-মূল্যে পণ্য কিনতে পারে।

৪-ধাপ বাস্তবায়ন

ফ্যামিলি কার্ড বাংলাদেশ নিবন্ধন প্রক্রিয়া ২০২৫

ধাপে ধাপে ফ্যামিলি কার্ড নিবন্ধন — উপকমিটি থেকে অনলাইন পোর্টাল পর্যন্ত — স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্ত বিতরণ নিশ্চিত করতে।

উপকমিটি রিপোর্ট

নির্ধারিত উপকমিটি আগামী মঙ্গলবারের মধ্যে চূড়ান্ত রূপরেখা জমা দেবে। সব নাগরিকের জন্য নির্দিষ্ট ভাতার পরিমাণ ও নীতি নির্ধারণ করবে।

পাইলট প্রকল্প ও তালিকা

ঈদের আগে পাইলট প্রকল্প একটি আনুষ্ঠানিক সুবিধাভোগী তালিকা তৈরি করবে। স্থানীয় প্রশাসন সত্যিকারের অভাবী পরিবারগুলি চিহ্নিত করবে।

এলাকাভিত্তিক বিস্তার

শিবচর, মাদারীপুর থেকে শুরু করে প্রতিটি উপজেলায় বিস্তৃত। মেম্বার বা কাউন্সিলর-এর কাছ থেকে ফর্ম পাওয়া যাবে।

অনলাইন আবেদন

NID ব্যবহার করে ডিজিটাল পোর্টালের মাধ্যমে আবেদন। এখন আপনার ইউনিয়ন পরিষদ বা পৌরসভা অফিস পরিদর্শন করুন।

📢 আপডেট: ফ্যামিলি কার্ড ১০ মার্চ ২০২৫ থেকে পাওয়া যাবে
মাসিক সুবিধা

ফ্যামিলি কার্ড সুবিধা — মাসিক ২,৫০০ টাকা নগদ সহায়তা

ফ্যামিলি কার্ড বাংলাদেশ কেন সবচেয়ে ব্যাপক সামাজিক নিরাপত্তা — নগদ সহায়তা, খাদ্য ভর্তুকি ও নারীর আর্থিক ক্ষমতায়ন।

💰

মাসিক আর্থিক সহায়তা

মাসিক ২,০০০ থেকে ২,৫০০ টাকা নগদ সহায়তা সরাসরি কার্ড ধারকের নিবন্ধিত মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা দেওয়া হবে।

👩‍👧‍👦

নারীর ক্ষমতায়ন

কার্ড পরিবারের নারী প্রধানের নামে ইস্যু করা হয়, যা কার্যকর ব্যবস্থাপনা ও নারীর অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করে।

🔍

ডিজিটাল স্বচ্ছতা

NID ডেটার সাথে সংযুক্ত স্ক্যানযোগ্য বারকোড দুর্নীতি রোধ করে এবং প্রতিটি টাকা সঠিক পরিবারে পৌঁছানো নিশ্চিত করে।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

ফ্যামিলি কার্ড ২০২৫-এ কী কী কাগজপত্র লাগবে

ফ্যামিলি কার্ড আবেদনের জন্য ইউনিয়ন পরিষদ বা পৌরসভা অফিসে যাওয়ার আগে এই সব কাগজপত্র প্রস্তুত রাখুন।

প্রয়োজনীয় নথির তালিকা

মূল জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)
২ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি
সক্রিয় মোবাইল নম্বর
জন্ম সনদ (NID না থাকলে)
ইউনিয়ন পরিষদ / ওয়ার্ড কাউন্সিলর সনদ
ব্যাংক বা মোবাইল ওয়ালেট তথ্য (বিকাশ/নগদ)
জাতীয় লক্ষ্য

ফ্যামিলি কার্ড বাংলাদেশ: ৪ কোটি পরিবারকে সুরক্ষা

ফ্যামিলি কার্ড বাংলাদেশের চূড়ান্ত লক্ষ্য — বাংলাদেশে প্রায় ১০ কোটি মানুষের জন্য সামাজিক নিরাপত্তা জাল, বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সামাজিক কল্যাণ কার্যক্রম।

  • মুদ্রাস্ফীতিতে কম আয়ের পরিবারকে সুরক্ষা
  • অতি দরিদ্র পরিবারের শিশুদের খাদ্য ও পুষ্টি নিশ্চিত করা
  • NID-সংযুক্ত স্বচ্ছ, দুর্নীতিমুক্ত নগদ বিতরণ ব্যবস্থা
  • প্রতিটি পরিবারে নারীকে আর্থিক সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী হিসেবে ক্ষমতায়ন
১০ কোটিলক্ষ্যমাত্রা
৳২,৫০০সর্বোচ্চ মাসিক সহায়
১০০%ডিজিটাল প্রক্রিয়া
পাইলট উপজেলা
সাধারণ প্রশ্ন

ফ্যামিলি কার্ড বাংলাদেশ ২০২৫ — সাধারণ প্রশ্নোত্তর

ফ্যামিলি কার্ড যোগ্যতা, নিবন্ধন, মাসিক সুবিধা ও কাগজপত্র সংক্রান্ত সবচেয়ে বেশি জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের উত্তর।

১. প্রাথমিক: অতি দরিদ্র ও দরিদ্র পরিবার যাদের স্থির উচ্চ আয় নেই।
২. মাধ্যমিক: মুদ্রাস্ফীতিতে সংগ্রামরত নিম্ন-মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবার।
৩. বাদ পড়বে: উচ্চ বেতনপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী বা বিলাসবহুল সম্পদের মালিক।
নগদ সহায়তা: মাসিক ২,০০০–২,৫০০ টাকা সরাসরি কার্ড ধারকের কাছে স্থানান্তর।
পণ্য সহায়তা: টিসিবির মাধ্যমে প্রয়োজনীয় খাদ্য (চাল, ডাল, তেল, চিনি) ৫০% ছাড়ে কেনার সুযোগ।
১. কার্যকর ব্যবস্থাপনা: গবেষণায় দেখা গেছে নারীরা কল্যাণ তহবিল পুষ্টি ও শিক্ষায় ব্যয় করার সম্ভাবনা বেশি।
২. ক্ষমতায়ন: গৃহিণীদের আর্থিক নিরাপত্তা ও সামাজিক নিরাপত্তায় স্বীকৃত ভূমিকা প্রদান করে।
প্রয়োজনীয়: NID কার্ড, ২ কপি পাসপোর্ট ছবি, সক্রিয় মোবাইল নম্বর, ইউনিয়ন পরিষদ সনদ এবং ব্যাংক/মোবাইল ওয়ালেট তথ্য (বিকাশ/নগদ)। NID না থাকলে জন্ম সনদ।
না। কঠোর "এক পরিবার, এক কার্ড" নিয়ম NID ক্রস-রেফারেন্সিং ও স্ক্যানযোগ্য বারকোডের মাধ্যমে প্রয়োগ করা হয়।
বর্তমানে ৮টি উপজেলায় পাইলট পর্যায়ে রয়েছে। ডিজিটাল অবকাঠামো পরীক্ষার পরে সব ৬৪ জেলায় ধাপে ধাপে শুরু। ২০২৫ ঈদের পরে পূর্ণাঙ্গ জাতীয় সূচনা প্রত্যাশিত।
১. অনলাইন পোর্টাল: অফিসিয়াল ফ্যামিলি কার্ড পোর্টালে NID নম্বর দিন।
২. SMS সেবা: নিবন্ধনের সময় দেওয়া ফর্ম্যাটে SMS পাঠান এবং তাৎক্ষণিক আপডেট পান।